Image
Image
Image
Image
Image
সামাজিক কল্যাণ বৃদ্ধি পিডিএফ প্রিন্ট কর ইমেল

জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি

অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিবারের সম্পদের ভিত্তি তৈরির মাধ্যমে এমন একটি ক্ষেত্র প্রস'ত হয় যেখান থেকে সব অর্থেই  দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভবপর হয়ে উঠাতে পারে। সিএলপি অবশ্য বেশ কছু ক্ষেত্রে জনগণের উন্নতি ঘটাতে চায় এই বিশ্বাস থেকে যে, হত দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্যে এই ব্যাপক কার্যক্রম অত্যন্ত প্রয়োজন। জনগণের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাদেরকে সাধ্যানুযায়ী সেবা প্রদানের মাধ্যমে তাদের পছন্দ-অপছন্দ এবং সুযোগ-সুবিধার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় বলে সিএলপি বিশ্বাস করে।

সামাজিক মূলধন বৃদ্ধি

চরম দারিদ্র্য, সামাজিক চাপ এবং বারবার বসতভিটা স্হানান্তরের কারণে মানুষের পক্ষে তাদের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা ও এক অন্যকেও সাহায্যে এগিয়ে আসা দুরূহ করে তোলে। বিয়ের আইনসম্মত বয়স ১৮ হলেও ১৩ বা ১৪ বছর বয়সেই বিয়ে হয়ে যায় মেয়েদের। নারীর প্রতি সহিংসতা এবং তাদের কে পরিত্যাগের ঘটনা হয়ে ওঠে অতি সাধারণ ঘটনা এবং তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠই জানে না কী কী কারণে তারা বিবাহবিচ্ছেদ চাইতে পারে। সত্যি বলতে বৃহত্তর যে জাতীয় আইনের প্রেক্ষাপটে তারা বাস করে এবং সে-অনুযায়ী তাদের অধিকার ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অনেক পরিবারেরই কোনো ধারণাই নেই।

সিএলপি-র লক্ষ্য, পরস্পরকে সহায়তা প্রদানে সুবিধাভোগীদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে তাদের সমপ্রদায়গত বন্ধন জোরদার এবং সামাজের মূলধন বৃদ্ধি করা আর এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা যেখানে সবাই বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বিশেষ করে নারী ও মেয়েদের প্রতি সহযোগিতাসূলভ মনোভাব সম্পন্ন।

পারিবারিক অবস্হা উন্নতি সাধনঃ

সিএলপির-র লক্ষ্য হচ্ছে, বছরের সবচাইতে দুর্যোগময় মুহূর্তে-ও পরিবারগুলোর আর্থিক অবস'ার উন্নতি করা বা  সি'তিশীল রাখা। এ-পর্যন্ত মঙ্গার সময়ে চরাঞ্চলের অধিবাসীদেরকে ৫০ লক্ষ জন্তদিবস 'কাজের বিনিময়ে  নগদ অর্থ' ভিত্তিক দৈনিক বেতন সম্বলিত শ্রম সুবিধা দেয়া হয়েছে। এটা কেবল সাময়িকভাবে মন্দাকবলিত কর্মসংস্হান পর্বে একটি নিয়মিত আয়ের প্রবাহ নিশ্চিত করে না সেই সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটায়।

সিএলপি-র লক্ষ্য, অন্তত পক্ষে ১১০,০০০ চর অধিবাসীর সামাজিক সমৃদ্ধি ঘটানো - এবিষয় গুলো নিশ্চিত করার মাধ্যমে যে, তাদের স্বাস্হ্য ভালো হয়েছে, তারা কাজ করতে সক্ষম এবং তারা মৌলিক শিক্ষা ও দক্ষতার একটি গ্রহণযোগ্য মানে পৌঁছাতে পেরেছে। অবশ্য সরকারী এবং বেসরকারী স্বাস্হ্য ও শিক্ষা সেবার খুব অল্পই  চরাঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলো লাভ করে। আর এ-কারণে, এসব এলাকায় দীর্ঘ মেয়াদী দারিদ্র্য বিমোচন নিশ্চিত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। পরিবারগুলো আবারো কেন দারিদ্র্যের কবলে পড়ে তার একটি কারণ স্বাস্হ্য পরিচর্যার ব্যয়। এদিকে, একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনকে পারিবারিক আয় বৃদ্ধি ও মানুষকে অধিকতর আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসের অধিকারী করার জন্যে প্রয়োজন বলে মনে করা হয়।  বর্তমানে সিএলপি-র স্বাস্হ্য এবং শিক্ষা এই দুটো অংশই পরীক্ষামূলক প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে যদিও স্বাস্হ্যসেবার প্রাথমিক প্রকল্পটিকে জোরদার করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্যে দেখুন স্বাস্হ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি/ উন্নয়ন।

সিএলপি কীভাবে চরঅধিবাসীদেও সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধিতে কাজ করছে তা জানতে দেখুন সামাজিক উন্নয়নে উৎসাহ প্রদান এবং সামাজিক সুরক্ষা প্রদান।