Image
Image
Image
আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পিডিএফ প্রিন্ট কর ইমেল

মানুষের ইচ্ছার সম্ভাব্যতা

দারিদ্র্য বহুমুখী এবং তা কেবল আয় বা মূল্যবান সম্পত্তিহীনতা নয়। অবশ্য চরাঞ্চলের চরম দরিদ্র অধিবাসী-যাদের দৈনিক আয় ২৩ টাকার-ও কম,নিয়মিত আয়ের অভাব তাদেরকে চরম বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের ক্ষমতার উপর প্রবল আঘাত হানছে।

সিএলপি বিশ্বাস করে আর্থিক মূলধন এবং আর্থিক মূলধনের যোগান এই দুটো বিষয়ই চরম দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চরম দরিদ্র পরিবারগুলোর জীবিকার ক্ষেত্রে আর্থিক মূলধন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা তাদের পরিবারের সি'তিশীলতা আনতে সক্ষম করে তোলে এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা এনে দেয়। কাজেই সিএলপি-র সাফল্যের একটি বড় মাপকাঠি হচ্ছে - চরাঞ্চলের হত দরিদ্র লোকজন তাদের আয় ও ব্যয় বৃদ্ধি করতে পারেছে কিনা।

চরাঞ্চলের হত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্যেই মূলত সিএলপি কাজ করে। যাতে করে তারা স্বল্প এবং দীর্ঘ উভয় মেযাদেই তাদের আয় বাড়াতে পারে এবং সে লক্ষ্যে তাদের বিনিয়োগ মূলধন যোগাড় করতে পারে। পরিবারভিত্তিক এই কর্মপদ্ধতি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর উপর-ও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। দেখা গেছে, কোন কোন গ্রামের ৫০ শতাংশ পরিবারই সিএলপির মূল সুবিধাভোগী। সিএলপি যেখানে বিনিয়োগ মূলধন দিচ্ছে  সেখানে  সিএলপির সঙ্গে জড়িত নয় এমন কিছু পরিবার এর-ই মধ্যে দোকান খুলছে অথবা সিএলপি-প্রশিক্ষিত প্রতিবেশীদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের বসতভিটায় বাগান করছে।

বর্ধিত হারে ব্যক্তিগত খাতের মাধ্যমে কৃষিজাত পণ্য সরবরাহ, উৎপাদনকারীদের প্রশিক্ষণ, ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগ স্খাপন এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও ব্যক্তিগত খাতের উদ্যোগে গবাদিপশু সংক্রান্ত সেবার পরিসীমা বাড়ার ফলে এসব জনগোষ্ঠীর  আরো অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটেছে। সিএলপি কীভাবে হত দরিদ্র পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্যে কাজ করে যাচ্ছে তা জানতে দেখুন সম্পদ নির্মাণ ও জীবিকা এবং ব্যবসা উদ্যোগ সংক্রান্ত সহায়তা ।